লিটারে একসঙ্গে ২০ টাকা! জনগণ যাবে কোথায়?
এক লাফে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হলো। ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিন—সবকিছুর দামই বাড়ল। আজ থেকে এই বাড়তি বোঝা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাঁধে।
প্রশ্ন হলো—দেশের মানুষের আয় কি একই হারে বেড়েছে? চাকরি, ব্যবসা, দিনমজুরি কিংবা ছোট আয়ের মানুষের উপার্জন যেখানে অনিশ্চিত, সেখানে একসঙ্গে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষ কীভাবে সামলাবে?
জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু গাড়ির তেলই দামি হয় না—পরিবহন খরচ বাড়ে, পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ে, বাজারে তার প্রভাব পড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই বাড়তি খরচের চাপ গিয়ে পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর।
আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি ব্যয়ের চাপের কথা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষেরও তো সীমাবদ্ধতা আছে। তাদের আয় সীমাহীন নয়, সংসারের খরচও কমছে না।
সরকারের কাছে প্রশ্ন—জনগণের আয়-রোজগারের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে একসঙ্গে ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কি আরও একটু মানবিকভাবে নেওয়া যেত না?
উন্নয়ন ও অর্থনীতির ভারসাম্য প্রয়োজন, কিন্তু সেই ভারসাম্যের পুরো বোঝা যেন সাধারণ মানুষের ঘাড়ে না পড়ে।
জনগণের পকেট সীমাহীন নয়। মানুষের কষ্টেরও একটা সীমা আছে।
জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
এটি কোনো দলীয় বক্তব্য নয়—এটি একজন সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ও প্রতিবাদ।

কোন মন্তব্য নেই
আপনার মন্তব্য শেয়ার করুন।